কৃষক বন্ধুর টাকা যারা পাচ্ছে তারা কি বাংলার যুব সাথীর টাকা পাওয়ার প্রকল্পে আবেদন করতে পারবে? অনেকেই এই প্রশ্নের উত্তর জানতে চাইছে। যুব সাথীর কথা ঘোষনা হওয়ার পর থেকে এনিয়ে ধোয়াশা রয়েছে। কিন্তু সম্প্রতি একটি আপডেট জানা গিয়েছে। যার হলে বিষয়টা অনেকটাই পরিষ্কার হয়েছে।
বিষয়টা নিয়ে নবান্নে বৈঠক
প্রতি মাসে ১৫০০ টাকা করে হিসেব করলে, যুব সাথী প্রকল্পে একজন বছরে মোট ১৮,০০০ টাকা পাবে। অন্যদিকে কৃষক বন্ধু প্রকল্পে একজন ক্ষুদ্র চাষী বছরে মাত্র ৪০০০ টাকা পাবে। এর মানে হলো ১৪,০০০ হাজার বেশী মিলবে যুব সাথী প্রকল্পে, এখানেই চাষীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এই ক্ষোভ প্রশমন করার জন্য নবান্নে তড়িঘড়ি একটি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক ডাকা হয়। এই বৈঠকে নিয়মে কিছুটা শিথিলতা আনার কথা বলা হয়েছে।
কৃষক বন্ধু পেলেও কি যুব সাথীতে আবেদন করা যাবে?
বাংলার যুব সাথী প্রকল্পের কথা ঘোষনার পরেই রাজ্য সরকারের তরফ থেকে নির্দেশিকা জারি করা হয়। তাতে জানানো হয়েছে কোনো ব্যাক্তি যদি সরকারি কোনো স্কিম, যেটাতে মাসিক টাকা পাওয়া যায় সেখান থেকে টাকা পায় তবে তারা যুব সাথীর জন্য আবেদন করতে পারবে না।
বিষয়টা আরও সহজ করে বুঝে নেওয়া যাক, ধরুন একজন ব্যাক্তি রাজ্য সরকারের লক্ষ্মীর ভান্ডার, মানবিক এই ধরনের কোনো প্রকল্পে প্রতি মাসে টাকা পেয়ে থাকে তবে তারা যুব সাথীর জন্য এপ্লাই করতে পারবে না। তবে ঐ নির্দেশিকায় এটা বলা হয়নি যে, কৃষক বন্ধুর টাকা পেলে যুব সাথী প্রকল্পে টাকা পাওয়া যাবেনা।
সূত্র অনুযায়ী জানা গেছে যে, রাজ্যের বিভিন্ন জেলার DM অর্থাৎ জেলা শাসকদের মৌখিকভাবে জানানো হয়েছে, কৃষক বন্ধুর টাকা পেলেও যোগ্য ছেলে-মেয়েরা বাংলার যুব সাথীর জন্য ফর্ম জমা করতে পারবে।
কৃষক বন্ধুর টাকা পেলে কী করণীয়?
সরকারের তরফ থেকে এখনো স্পষ্ট জানানো হয়নি যে, কৃষক বন্ধুর টাকা পেলে যুব সাথীর জন্য আবেদন করা যাবে কী যাবেনা? তাই যাদের বয়স ২১-৪০ বছরের মধ্যে এবং মাধ্যমিক পাশ তাদের সবার উচিত বাংলার যুব সাথী প্রকল্পে জন্য আবেদন করে দেওয়া। পরে যদি সরকার ঠিক করে কৃষক বন্ধু পেলে যুব সাথী দেওয়া হবেনা তবে ফর্ম বাতিল হবে, আর যদি উল্টোটা হয় তবে টাকা পাওয়া যাবে।
আরও পড়ুনঃ যুব সাথীর ফর্ম ঠিকঠাক জমা হলো কিনা স্ট্যাটাস চেক করুন
